মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫

কৃষি ভিত্তিক পর্যটনে বিনিয়োগ ও ব্যবাসয়িক লাভ

বাংলাদেশের একটি বৃহৎ ও গুরুত্বপূর্ণ শিল্প হল কৃষি। কৃষি উন্নয়নে গ্রাম বাংলার সাধারণ কৃষক থেকে শুরু করে কৃষিবিদ পর্যন্ত বিভিন্ন কাজ করে যাচ্ছে। তবে সব কাজ আর পরিশ্রম এর মূল্যায়ন তখনই সম্ভব হচ্ছে যখন এটি বাজারে বিক্রির মাধ্যমে ক্রেতা কিনে নিচ্ছে অথবা দেশের বাইরে রপ্তানী হচ্ছে।  আমরা ব্যবসায় বাণিজ্যের উন্নয়নে যত কৃষি নির্ভর হব ততই আমাদের স্বাবলম্বীতা বৃদ্ধি পাবে। জনপ্রতি আয় বাড়বে।  কৃষি বাণিজ্যের সম্প্রসারণ আরো বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। এজন্য যেমন উন্নত চাষ পদ্ধতি ও প্রযুক্তি সংযোজন প্রয়োজন সেই সাথে নতুন নতুন সৃষ্টিশীল ধারণা ও এর বাণিজ্যিক প্রয়োগ করতে হবে।


একই সাথে পর্যটন  একটি লাভজনক ব্যবসায় ক্ষেত্র। পর্যটন শিল্পের বিস্তারে বিভিন্ন পর্যটন সমৃদ্ধ স্থানকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে আন্তর্জাতিক মানের সুযোগ সুবিধা। বাংলাদেশের এমন কিছু দর্শনীয় ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যমন্ডিত স্থানে একই সাথে পর্যটন ও কৃষি সম্প্রসারণ সম্ভব। তার মধ্যে উল্খেযোগ্য হল রাঙামাটি, বান্দরবান, টেকনাফ, সেইন্ট-মার্টিন।

কৃষি ও পর্যটনকে একীভূত করে ব্যবসায় বাণিজ্যের প্রসার ঘটালে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে এটি ব্যাপক ইতিবাচক প্রভাব তৈরি করবে।

প্রথমত,  যে এলাকাকে কৃষি ও পর্যটনের আওতায় আনা হবে সে এলাকাবাসীদের কর্মসংস্থান এর সুযোগ তৈরি হবে।
দ্বিতীয়ত, সুবিধাভোগী বা স্টেকহোল্ডারগণ একই সাথে পর্যটন ও কৃষিপণ্য থেকে লাভ এই দুটিই উপভোগ করতে পারবেন। অর্থাৎ একদিকে বিনোদন অন্যদিকে কৃষিতে বিনিয়োগ করার মাধ্যমে লভ্যাংশ পাওয়ার সুযোগ।
তৃতীয়ত, উৎপাদিত কৃষি পণ্য বিদেশে রপ্তানী করার মাধ্যমে বাজার তৈরি ও ব্যবসা সম্প্রসারণ।

উপরোক্ত ইতিবাচক অর্জন ছাড়াও দেশের ভিতরে ও বাইরে ভাবমূর্তি তৈরি করা সম্ভব। আর এই লক্ষ্য অর্জনের পথে কাজ করছে সোবার এগ্রো এন্ড ইকো ইন্ডাস্ট্রিজ। এটি বান্দরবানের লামায় পর্যটন ও কৃষিকে একীভূত করে প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছে।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন